দর্পণ ডেস্ক : এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াকে ফেভারিটের তালিকায় রেখেছিলেন না ক্রিকেটবোদ্ধারা। কেউ কেউ রাখলেও সেটা অনেকটা না রাখার মতোই। অজিরা সেমিফাইনালে নাম লেখায় ‘ভাগ্যের সহায়তায়’ রানরেটে এগিয়ে থাকায়। সেমিফাইনাল ও ফাইনালে অন্য অস্ট্রেলিয়াকে দেখলো ক্রিকেট বিশ্ব। টি-টোয়েন্টিতে বিবর্ণ পারফরমেন্স নিয়ে বিশ্বকাপে আসে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপ প্রস্তুতি নিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম তুমুল সমালোচনা করেছিল। অফ ফর্মে থাকা ডেভিড ওয়ার্নারকে দলে রাখা নিয়েও সমালোচনার তীরে বিদ্ধ হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক ও কোচ। পাহাড়সম চাপ নিয়ে বিশ্বকাপে আসা অ্যারন ফিঞ্চের দল পরেছে বিশ্বসেরার মুকুট।
পাঁচবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতলেও অস্ট্রেলিয়ার আক্ষেপ ছিল কুড়ি ওভারে বিশ্বসেরা হতে না পারার। আগের ছয় আসরের চেয়ে কিছুটা কম শক্তি ও প্রস্তুতি নিয়ে আসা অস্ট্রেলিয়া কোন মন্ত্রে জিতলো বিশ্বকাপ? সেটাই শুনিয়েছেন বিশ্বজয়ী অজি কোচ-ক্রিকেটাররা।
গতকাল রোববার রাতে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের দেয়া ১৭৩ রান মোকাবিলায় শুরুতে যখন অ্যারন ফিঞ্চ বিদায় নেন তখনই ক্রিজে আসেন মার্শ। এরপর পুরোটা সময় ক্রিজে থেকে এক নতুন কাব্য রচনা করলেন তিনি। ব্যাট হাতে তার অপরাজিত ৫০ বলের ৭৭ রানের ইনিংস অস্ট্রেলিয়াকে জিতিয়েছে বিশ্বকাপ। প্লেয়ার অব দ্য ফাইনাল হয়েছে মার্শ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে